RSS

সমুদ্রের গভীরে এবার রিয়েলিটি শো!

sagorএই সময় ডেস্ক॥

না, এটা কোনো প্রতিযোগিতা নয়৷ এর মাধ্যমে সাগরতলের ঘটনাবলী আপনি দেখতে পাবেন একেবারে সরাসরি৷ বাংলাদেশ সময় প্রতিদিন সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টা থেকে রাত আড়াইটা পর্যন্ত৷ চলবে ১৭ আগস্ট পর্যন্ত৷

গতমাসের ৮ তারিখ থেকে শুরু হয়েছে এই সম্প্রচার৷ দেখা যাচ্ছে ‘ওকেয়ানোস এক্সপ্লোরার’ জাহাজের ওয়েবসাইটে৷ যুক্তরাষ্ট্রের ‘ন্যাশনাল ওশেনিক অ্যান্ড অ্যাটমোস্ফিয়ারিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশন’-এর এই জাহাজটি এখন গবেষণার কাজ করছে৷ উদ্দেশ্য গভীর সাগরের পরিবেশ সম্পর্কে জানা৷

যুক্তরাষ্ট্রের উত্তরপূর্ব উপকূলে রয়েছে জাহাজটি৷ সেখান থেকে ক্যামেরা নেমে যায় সাগরের প্রায় তিন কিলোমিটার গভীরে৷ আর জাহাজে বসে থাকা বিজ্ঞানীরা সাগরতলে যেসব ঘটছে তার ধারাবিবরণী দেন৷ সঙ্গে জানিয়ে দেন সম্পর্কিত বৈজ্ঞানিক তথ্যাবলীও৷ দর্শকরা ওয়বেসাইটে গেলে পুরো ঘটনাটাই দেখতে পাবেন সরাসরি৷

প্রতিদিন গড়ে প্রায় ৫০ হাজার দর্শক সেটা দেখছেন৷ তারা সরাসরি দেখতে পান, কেমন করে একটি বাইম মাছ গপ করে খেয়ে ফেলে ছোট্ট একটি সামুদ্রিক মাছকে৷ কিংবা তারা দেখতে পান গোলাপি রংয়ের সুন্দর ‘স্টারফিশ’ বা তারামাছগুলো ছুটে বেড়াচ্ছে৷ । এমনই এক দর্শক হলেন জর্জিয়া রাজ্যের লেওনা ম্যাককিনি৷ তিন সপ্তাহ আগে তিনি প্রথম দেখা শুরু করেন৷ এরপর থেকে একদিনও মিস করেননি৷ ‘‘আমি ওটার প্রতি আসক্ত হয়ে গেছি,” সরল স্বীকারোক্তি তার৷

মার্থা নিজিন্সকি নামের এক বিজ্ঞানী যিনি ওই জাহাজে রয়েছেন তিনি বলছেন, ‘‘আমরা এটাকে বলছি ডিপ সি টিভি৷ এটা অন্য যে কোনো রিয়েলিটি শোর চেয়ে ভাল৷” প্রিয় পাঠক, আপনারও কি এখন এটা দেখতে ইচ্ছে করছে?

 
মন্তব্য দিন

Posted by চালু করুন 2013/08/09 in বিনোদন

 

নেশার পরে ব অফিসে বিএ পাস

B.A.-Pass-300x213এই সময় ॥

বক্স অফিসে গত সপ্তাহে মুক্তি পেয়েছিল ১১টি ছবি। প্রত্যেকটিই ছিল বিভিন্ন ধারার। এই সপ্তাহে সেই তুলনায় ব অফিসের ভাঁড়ারে প্রায় সেরকম কিছুই নেই। তবে গত সপ্তাহে মুক্তি পাওয়া পুনম পান্ডের নেশা ছবির রেশ ধরে এই সপ্তাহে মুক্তি পাচ্ছে বি.এ. পাস। এছাড়াও কালাপোর, লভ ইন বম্বে, রব্বা ম্যায় কেয়া করু, ম্যায় হুঁ সুরিয়া সিংঘম টু ও চোর চোর সুপার চোর রয়েছে বঅফিসের ভাঁড়ারে।

চক দে ইন্ডিয়ার পর ফের বি.এ পাস ছবিতে সাহসী চরিত্রে অভিনয় করেছেন শিল্পা শুক্লা। ছবিতে সে গুরু শিল্পার বিপরীতে রয়েছেন নবাগত সদাব কামাল। মোতি সাগর প্রযোজিত, অমৃত সাগর চোপড়া পরিচালিত রব্বা ম্যায় কেয়া করু রোম্যান্টিক কমেডি। ছবিতে রয়েছেন আকাশ চোপড়া, আরশাদ ওয়ারসি, পরেশ রাওয়াল, তাহিরা কোচার ও রিয়া সেন।

জেলের কাহিনি নিয়ে ছবি কালাপোর। পরিচালনা করেছেন দীনেশ পি ভোঁসলে ও এ দুর্গা প্রসাদ। চোর চোর সুপার চোরে রয়েছেন দীপক দোবরিয়াল, অনসুল কাটারিয়া ও প্রিয়া ভাতিজা। দক্ষিণী ছবি সিংঘম টু-র হিন্দি ভার্সন ম্যায় হুঁ সুরিয়া সিংঘম টু। ছবিতে রয়েছেন অনুষ্কা শেঠি, হনসিকা মোতওয়ানে, বিবেক ও সন্থনম।

৪১ বছর পর আগে ছবির শুটিং হলেও মুক্তি পায়নি ছবি। মুক্তি পাচ্ছে জয় মুখার্জি পরিচালিত লভ ইন বম্বে। রয়েছেন ওয়াহিদা রহমান, কিশোর কুমার ও অশোক কুমার। গত ৯ মার্চ জয় মুখার্জির মৃত্যুর পর লভ ইন বম্বে রিলিজ করার কথা ভাবেন তাঁর ছেলে। জিনিউজ

 
মন্তব্য দিন

Posted by চালু করুন 2013/08/08 in বিনোদন

 

অতিভোজনের কারণে ঈদের দিনটি যেন নিরানন্দ হয়

Healthঈদ সমাগত। এক মাস সিয়াম সাধনার পর ঈদ হলো আনন্দের দিন। আর এই আনন্দের অন্যতম অনুষঙ্গ হলো খাবার। ঈদকে উপলক্ষ করে সবার বাসাতেই করা হয় নানা পদের মুখরোচক খাবারের আয়োজন। এক মাসের খাদ্যাভ্যাস বদলে এদিন সবাই সকালে নাশতার টেবিলে বসে পড়েন। মুখে দেন সেমাই, পায়েস, জর্দা, পোলাও, কোর্মাসহ আরও কত টক-ঝাল-মিষ্টি! নিজের বাসায় তো বটেই, আত্মীয়স্বজন, বন্ধুবান্ধবদের বাসায় ঘুরে ঘুরে প্রায় সারাদিনই টুকিটাকি খাওয়া হয়। এই আনন্দের মাঝেও আমাদের একটু নজর দেওয়া দরকার আমরা কী খাচ্ছি, কতটুকু খাচ্ছি, বিভিন্ন খাবারের প্রতিক্রিয়া কী তার ওপর।
মূল সমস্যাটা নিঃসন্দেহে খাবারের পরিমাণে। রমজানে খাবারের সংযম হোক বা না হোক, ঈদের দিন ভূরি ভোজ করা হবেই। যেন এক মাসের খাবার একদিনেই খেতে হবে। আবার বন্ধুদের বাড়ি গেলে অনুরোধের চাপে কিছু তো খেতেই হয়। আর এর চাপ পড়ে পেটের ওপর। অনেকেই একসঙ্গে প্রচুর পরিমাণ তৈলাক্ত বা চর্বিযুক্ত খাবার খেয়ে হজম করতে পারেন না। ফলে পেট ফাঁপে, জ্বালাপোড়া করে, ব্যথা করে, বারবার পায়খানা হয়। আবার পর্যাপ্ত পানি পান না করার দরুন অনেকে কোষ্ঠ্যকাঠিন্যে ভোগেন। যদিও সাধারণভাবে কোনো নির্দিষ্ট খাবার খেতে মানা নেই, কিন্তু পরিমাণ বজায় রাখাটা খুবই জরুরি। এ ক্ষেত্রে শুরু থেকেই পরিকল্পনা থাকা দরকার। দিনের মূল খাবার অর্থাৎ দুপুর ও রাতের খাবার কোথায় খাবেন ঠিক করে ফেলুন। অন্য বাসায় যথাসম্ভব কম খান। পানি, সরবত, ফলের রস ও অন্যান্য তরল খাবার বেশি করে গ্রহণ করুন। এতে গুরুপাক খাবারের জন্য পেটে জায়গা কমে যাবে।
খাবারের মেন্যুতে স্বাভাবিকভাবেই মিষ্টি জাতীয় খাবার বেশি থাকে। এ ছাড়া পোলাও, মুরগি, গরু বা খাসির মাংস, কাবাব ইত্যাদির সঙ্গে ঝাল খাবারও থাকে। আরও আছে চটপটি, দই বড়া কিংবা বোরহানির মতো টক খাবারও। যাদের বয়স কম এবং শারীরিক কোনো সমস্যা নেই, তারা নিজের পছন্দমতো সবই খেতে পারেন এবং তাদের হজমেরও কোনো সমস্যা হয় না, শুধু অতিরিক্ত না হলেই হলো। তবে অনেকে এক মাসের অনভ্যাসের কারণে হঠাৎ খুব বেশি ঝাল বা তৈলাক্ত বা ভাজাপোড়া খেলে অসুস্থ বোঁধ করতে পারেন। তাই সবার জন্যই খাবার হওয়া উচিত কম মসলাযুক্ত, কম তৈলাক্ত, ভালোভাবে রান্না করা।
যারা মাঝবয়সী বা বয়োবৃদ্ধ বা যাদের অন্যান্য শারীরিক সমস্যা যেমন ডায়াবেটিস, ব¬াডপ্রেশার, হৃদরোগ ইত্যাদি আছে তাদের খাবারের ব্যাপারে সতর্ক থাকা জরুরি। ডায়াবেটিস রোগীকে অবশ্যই মিষ্টি জাতীয় খাবার এড়িয়ে চলতে হবে। তারা বরং টক খাবারের মাধ্যমে রসনা পূরণ করতে পারেন। সবজি বা টক ফল দিয়ে মজাদার খাবার আগেই বাণীয়ে রাখুন। এগুলো আপনাকে অন্য খাবার থেকে দূরে থাকতে সাহায্য করবে। নেহায়েত মিষ্টি খেতে চাইলে চিনির বিকল্প দিয়ে তৈরি করে নিন। পোলাও, বিরিয়ানি কম খাবেন। ভাত খাওয়াই ভালো। আর অতিরিক্ত খাবার অবশ্যই পরিহার করবেন। মুরগি বা গরুর মাংস খাওয়া যাবে যদি অতিরিক্ত তেল বা চর্বি না থাকে। সঙ্গে কিডনির সমস্যা থাকলে মাংস পরিহার করাই ভালো। খাসির মাংস, কলিজা, মগজ, চিংড়ি ইত্যাদি খাবেন না। খাবারের পরিমাণটা ডায়াবেটিস রোগীর জন্য সব সময় গুরুত্বপূর্ণ। সবচেয়ে বড় কথা, এসব খাবার একবেলাই খাওয়া উচিত। অন্য বেলা স্বাভাবিক খেতে হবে। রক্তের সুগার নিয়ন্ত্রণে রাখতে এদিন একটু বেশি হাঁটাহাঁটি করতে পারেন। প্রয়োজনে ডায়াবেটিসের ওষুধ বা ইনসুলিনের মাত্রা একটু বাড়াতে হতে পারে। এ ব্যাপারে ঈদের আগেই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
যাদের রক্তে কোলেস্টেরল বেশি বা উচ্চ রক্তচাপ আছে, হার্টের সমস্যা আছে, যারা মুটিয়ে যাচ্ছেন তাদের অবশ্যই তেল-চর্বি এড়িয়ে যেতে হবে। চর্বি ছাড়া গরুর মাংস খাওয়া যাবে পরিমাণ মতো। ভাজাপোড়া খাবেন না। বিশেষ করে ঘরের বাইরে। আগের দিনের বাসি মাংস জ্বাল দিয়ে খাবেন না। মিষ্টিও পরিমাণের বেশি খাওয়া যাবে না। পোলাও কম খাবেন। ভাত হলেই ভালো। এ ছাড়া ফল, ফলের রস, সালাদ ইত্যাদি বেশি খাবেন। বিশেষ করে খাবারের শুরুতে সালাদ খেলে অন্য খাবারের জন্য জায়গা কমে যাবে। এছাড়া টক দই খেলে উপকার পাবেন।
কিডনির সমস্যা থাকলে প্রোটিন জাতীয় খাদ্য যেমন মাছ-মাংস অবশ্যই নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। দিনে দুই টুকরোর বেশি নয়। ফল খাওয়ার ব্যাপারেও নিষেধাজ্ঞ থাকে। এদের অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া উচিত ঈদের আগেই। যারা দুধ সহ্য করতে পারেন না, তাদের দুধের তৈরি খাবার এড়ানো ছাড়া উপায় নেই। তবে বোরহানি বা টক দই খাওয়া যায়। অনেকের সালাদ খেলে সমস্যা হয়। তাদেরও তা এড়াতে হবে। কোষ্ঠকাঠিন্য এড়াতে প্রচুর পানি পান করতে হবে।
ঈদে অতিরিক্ত খেয়ে পেট জ্বালা করা, ফাঁপা আর পেপটিক আলসার খুব সাধারণ সমস্যা। যাদের পেটের এসব সমস্যা আছে তারা অতিরিক্ত ঝাল, মসলাযুক্ত খাবার পরিহার করবেন। দুই বেলা খাবার আধ ঘণ্টা আগে আলসারের ওষুধ যেমন ওমেপ্রাজল, ইসমিপ্রাজল, রেনিটিডিন ইত্যাদি খেয়ে নেবেন। প্রয়োজনে খাবার পর দুই চামচ এন্টাসিড খেতে পারেন। পেট ভরে বা গোগ্রাসে না খেয়ে সময় নিয়ে চিবিয়ে খাবেন। সঙ্গে সঙ্গে পানি না খেয়ে একটু পরে খাবেন। রাতে খাবার পর পরই ঘুমাতে যাবেন না। কিছুক্ষণ হাঁটাচলা করতে পারেন। খাওয়ার দুই ঘণ্টা পর ঘুমাবেন।
ঈদের মধ্যে একটি সাধারণ সমস্যা হলো কোষ্ঠকাঠিন্য। একে তো রোজায় পানি কম খাওয়া হয়, সবজি কম খাওয়া হয়, ভাজাপোড়া খাওয়া হয় বেশি। ঈদেও সেই ধারা বজায় থাকে। উপরন্তু মাংস-তেল-চর্বি বেশি খাওয়ায় পানির অভাব আরও বেশি দেখা দেয়। ফলে অনেকেই, বিশেষ করে বৃদ্ধরা সমস্যায় পড়েন। এ ক্ষেত্রে ঈদের আগের রাতে বা ঈদের সকালে ইসবগুলের ভুষি পানিতে মিশিয়ে খেয়ে নিতে পারেন। সকালে ঈদের নামাজে যাওয়ার আগে সেমাই-পায়েসের সঙ্গে ফলের রস খাওয়া যেতে পারে। সঙ্গে প্রচুর পানি পান করতে হবে। ঈদের দিন দুপুর ও রাত্রে অবশ্যই সবজির একটি পদ রাখবেন। আর সব খাবারের ফাঁকে ফাঁকে পানি বা অন্যান্য পানীয় পান করতে ভুলবেন না।
ঈদ আনন্দের। আর খাবারের তৃপ্তি না থাকলে এ আনন্দ যেন পূর্ণতা পায় না। ঈদে তাই সবার জন্য থাকে একটু অন্য রকম মজাদার খাবার। স্বাস্থ্যসম্মত, উপাদেয়, টাটকা খাবার খাওয়ায় কখনোই মানা নেই। কিন্তু তা হতে হবে পরিমিত ও পরিকল্পিত।

ai somoy ॥এই সময় ডেস্ক॥

 
মন্তব্য দিন

Posted by চালু করুন 2013/08/07 in স্বাস্থ্য

 

তবু সাধ

OLYMPUS DIGITAL CAMERAকী এক তাণ্ডব কাণ্ড- আগুনের ধকধক বুকের ভেতরে!
আগুন দেখা না যায়, লেখা না যায় এ আগুন;
দহনের শক্তি তার, দহন করে না তবু, তবু শুধু ছাই।
পূর্ণিমার চাঁদ আর বৃক্ষডালে হাজার বাঁদুড়,
শাদা চাঁদ কালো হয়ে যায় পুনরায়।
একটি দীঘল হাঁস আগুনের জল কেটে কেটে
অবিরাম ঘুরে ঘুরে রাত পরে দিন এনে ফেলে রেখে যায়।
আমিও পতন থেকে জেগে উঠে বিষাদ মাখানো
মুখখানা ধুয়ে নিয়ে দুপুরের বৃক্ষতলে আবার দাঁড়াই।
ঘাস খুঁটে খেয়ে চলে একটি শালিক,
আমার ভেতর থেকে উজ্জীবন মায়াবতী পরী হয়ে উঠে
উড়ে যায় স্বচ্ছ নীল পাখায় পাখায়।
কোথায়Ñ কোথায় যায়?
প্রশ্নের উত্তরগুলো কুচি কুচি ফুল হয়ে বাতাসে উড়ায়।
সে হাওয়ায় বুকের আগুন আরো জ্বলে ওঠে এই পৃথিবীর;
পৃথিবী আমার নাম একবার লিখে উঠে ফের মুছে দেয়-
পড়ে আছি ভস্ম হয়ে, তবু সাধ একবার উড়বো পাখায়।।

  • jd পিয়াস ॥

 
মন্তব্য দিন

Posted by চালু করুন 2013/08/07 in কবিতা

 

বন্ধু রোবটের আকাশ পাড়ি

uiএই সময় ডেস্ক॥

মহাশূন্যে মানুষের সঙ্গী হতে আকাশ পাড়ি দিতে প্রস্তুত জাপানি কথা বলা রোবট কিরোবো। আগামী নভেম্বরে জাপানের মহাকাশচারী কোচি ওয়াটাকারের মিশনে সঙ্গী হবে সে। পৃথিবীর ইতিহাসে প্রথমবার মানুষকে সঙ্গ দিতে মহাকাশ অভিযানে যাচ্ছে কোনো কথাবলা যন্ত্রমানব। ১৩ ইঞ্চির কিরোবো ৯ অগাস্ট পৌঁছে যাবে আন্তর্জাতিক স্পেশ স্টেশনে।

জাপানি ভাষায় `কি` শব্দের অর্থ আশা। কীভাবে বহুদিন সবার থেকে দূরে থাকা কোনও মানুষের আবেগের সঙ্গী হতে পারে যন্ত্র সেই পরীক্ষাই করতেই আকাশ পাড়ি দিচ্ছে কিরোবো। অ্যানড্রয়েড প্রযুক্তির কিরোবো কে দেখতে অনেকটা বিখ্যাত কার্টুন চরিত্র অ্যাস্ট্রোবয়ের মতো। জাপানি ভাষায় কথা বলতে পটু এই যন্ত্র মানব তার সমস্ত কথোপকথন রেকর্ড করে রাখতে পারে।

কিরোবোর আবিষ্কর্তা তোমোতাকা তাকাহাশি জানিয়েছেন “আমি আশা করব কিরোবো যন্ত্র ও মানুষের মধ্যে মাধ্যম হিসাবে কাজ করবে। মাঝে মাঝে মানুষ আর ইন্টারনেটের মধ্যে এমনকি মানুষের সঙ্গে মানুষের মাধ্যম হিসাবেও কাজ করবে সে।

কিরোবোর যমজ মিরাটা থাকবে পৃথিবীতে। তার ইলেক্ট্রনিক ভাইয়ের মহাশূন্যে কোনো সমস্যায় পড়লেই তার খবর দেবে মিরাটা।

 
মন্তব্য দিন

Posted by চালু করুন 2013/08/06 in তথ্য প্রযুক্তি

 

ঘুম না এলে কী করবেন!

gom-জেডি পিয়াস ॥

বিছানায় শুয়ে শুধু এপাশ-ওপাশ করছেন, কিছুতেই ঘুম আসছে না। খুব ভোরে উঠতে হবে, তাই তাড়াতাড়ি বিছানায় গিয়েছিলেন। কিন্তু অনেকক্ষণ এপাশ-ওপাশ করার পরেও ঘুম না আসায় তিনি চিন্তিত হয়ে পড়লেন। আমাদের সবারই কম-বেশি এ সমস্যায় পড়তে হয়। সাধারণত সমস্যাটি সাময়িক হয়ে থাকে। তবে দিনের পর দিন নির্ঘুম রাত পার হলে বুঝতে হবে এর পেছনে কোনো না কোনো কারণ আছে।যাদের রাতে ঘুমের সমস্যা হয় তাদের প্রায় ৫০ শতাংশই উদ্বেগ-উৎকণ্ঠায় ভোগেন। এক্ষেত্রে নিজের থেকে ঘুমের ওষুধ না খেয়ে ডাক্তারের শরণাপন্ন হওয়ায়ই ভালো। পিটসবার্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষণায় দেখা গেছে, বিবাহিত জীবনে সুখী এমন নারীদের রাতে ঘুমের সমস্যা কম হয়। হার্টের সমস্যা থাকলে রাতে অস্বস্তি বোধ করার কারণে আপনার ঘুম ভেঙে যেতে পারে। বয়স হলে মানুষের ঘুম এমনিতেই কমে যায়। আপনার বয়স ৫০ থেকে ৬০ বছরের মাঝামাঝি হলে ঘুম বেশ পাতলা হবে, রাতে ঘন ঘন ভেঙেও যেতে পারে।

সারাদিন আপনার প্রচণ্ড ব্যস্ততার মধ্য দিয়ে গেলে রাতে যেমন ভালো ঘুম হতে পারে, কর্মব্যস্ততার কারণে মস্তিষ্ক উত্তেজিত থাকলে এর উল্টোটাও হতে পারে। এমনটি হলে ঘুমাতে যাওয়ার ঘণ্টাখানেক আগে শরীরটাকে রিলাক্সড করার জন্য বই পড়তে বা গান শুনতে পারেন।
পুরুষদের তুলনায় নারীদের রাতে ঘুমের সমস্যা হতে পারে। মাসিকের সময়, অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় কিংবা মেনোপজের সময় নারীদের শরীরে হরমোনের তারতম্য ঘটে। এ কারণে রাতে ঘুমের সমস্যা হতে পারে। দিনের বেলায় ঘুমালে রাতে আপনার ঘুম নাও আসতে পারে। রাতে পোলাও কোর্মা বা বিরিয়ানির মতো ভারি খাবার না খেয়ে হালকা স্ন্যাক্স জাতীয় কিছু খেলে ঘুম ভালো হবে।

 
মন্তব্য দিন

Posted by চালু করুন 2013/08/05 in স্বাস্থ্য

 

বেতনে মেসিকে ছাড়িয়ে রোনালদো

miss & ronaldoজেডি পিয়াস ॥

স্পেনিশ লিগের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি বেতন নেয়া ফুটবলার হওয়ার কৃতিত্ব দেখালেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো।

সোমবার রিয়াল মাদ্রিদের সঙ্গে ২০১৮ সাল পর্যন্ত চুক্তি নবায়ন করেছেন পর্তুগিজ মহাতারকা রোনালদো। যার ফলে নতুন চুক্তিতে বাৎসরিক ১৭ মিলিয়ন ইউরো পাবেন সাবেক ফিফা বর্ষসেরা ফুটবরার। এর মাধ্যমে বেতন প্রাপ্তিতে চিরপ্রতিদ্বন্দী লিওনেল মেসিকে ছাড়িয়ে গেলেন রোনালদো। মেসির বাৎসরিক বেতন ১৬ মিলিয়ন ইউরো।

তবে বেতন প্রাপ্তিতে রোনালদো স্পেনিশ লিগের ইতিহাসে রেকর্ড গড়লেও ক্যামেরুন ফুটবলার স্যামুয়েল ইতোকে ছাড়িয়ে যেতে পারেননি। সাবেক বার্সা তারকা রাশান ক্লাব আনঝি মাখাচাকালাতে বাৎসরিক ২০ বিলিয়ন ইউরো বেতন পেয়ে সবার ওপরে অবস্থান করছেন।

বেতনে শীর্ষ দশ ফুটবলার :

  • ১. স্যামুয়েল ইতো (আনঝি) -২০ মিলিয়ন ইউরো
  • ২. ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো (রিয়াল মাদ্রিদ) -১৭ মিলিয়ন ইউরো
  • ৩. লিওনেল মেসি (বার্সেলোনা) -১৬ মিলিয়ন ইউরো
  • ৪. নেইমার (বার্সেলোনা) -১৫ মিলিয়ন ইউরো
  • ৫. ঈব্রাহিমোভিচ (পিএসজি)- ১৪.৫ মিলিয়ন ইউরো
  • ৬. রাদামেল ফ্যালকাও – (মোনাকো) -১৪ মিলিয়ন ইউরো
  • ৭. ওয়েইন রুনি (ম্যানইউ) -১৩.৮ মিলিয়ন ইউরো
  • ৮. সার্জিও আগুয়েরো (ম্যানসিটি) -১৩.৫ মিলিয়ন ইউরো
  • ৯. ইয়াইয়া তোরে (ম্যানসিটি) -১৩ মিলিয়ন ইউরো
  • ১০. থিয়াগো সিলভা (পিএসজি) -১২ মিলিয়ন ইউরো
 
মন্তব্য দিন

Posted by চালু করুন 2013/08/05 in ক্রীড়াঙ্গন